অনুভুতির অনুরণন

লিখেছেন - সিনি মনি | লেখাটি 1602 বার দেখা হয়েছে

ভাবতে খুব অদ্ভুত লাগছে,আমার জীবনে হঠাত করেই যেই অধ্যায় টা একদিন শেষ

হয়েছিল সেই অধ্যায়টাই এখন আমার বাকি জীবনের জন্যে শুরু হতে চলেছে । ইমরোজ

আবার আমার জীবনে ফিরে আসবে সেটা আমি কখনই ভাবতে পারিনি । যাকে আমি গত ৭

বছর ধরে খুজেও পাইনি সেই ছেলেটার সাথে আজ কিনা আমার বাগদান হয়ে  গেল ।

শুধু তাই নয় ,এই যে আমি আমাদের বাসার ছাদের উপর দাঁড়িয়ে আছি , সে ও আমার

সাথে আছে । মানুষের জীবনের ধরনটাই হয়ত এইরকম , প্রতিটা দিন একটা নতুন

কিছু নিয়ে দেখা দেয় ।

 

 

গত ৭ বছরে ইমরোজকে আমি কতই না খুঁজেছি, প্রতিটা পরিচিত কোনে কোনে ,

জুকারবারগের সাদা আর নীলে সাজানো রাজ্যে , কোথাও পাইনি । সে নিজে এসে

আমাকে খুঁজে নিবে  এমন কিছুটাও আমি আশা করিনি কেননা আমাদের মাঝে এমন কোনও

বাধন ই ছিলনা কখনও । আমরা এক স্কুলে পড়েছি ,দুজন দুজন কে চিনতাম,কিন্তু

কেউ কাউকে সহ্য করতে পারতাম না ।আর ওর অনুভুতিটুকু জানা আমার পক্ষে সম্ভব

ছিলনা । কিন্তু ধীরে ধীরে আমি অনুভব করি কোন একজন কে না খেপালে বা তাকে

না জ্বালালে আমার ভাল লাগেনা , আর এই ভাল না লাগাটা মোটামুটি অসহ্যের

কাছাকাছি ।আমি কোনদিনই ভাবিনি যার দা এর কাছে আমি ছিলাম অনেকটা কুমড়োর

মতন সেই আমিই কিনা স্বেচ্ছায় তার দা তে গিয়ে ঝাপ দিলাম !  আমি ভেতরে

ভেতরে রক্তাক্ত হলাম, সেই রক্তক্ষরণে আমার বহুদিনের নিরাসক্ত মনটা

পুরোপুরি সিক্ত হল । আমি পথে বের হতাম শুধু তাকে দেখার জন্যে ,আমি

চারদিকে তাকাতাম শুধু তাকে খোঁজার জন্যে, যে পথে একদিন তার দেখা পেতাম

পরদিন সেই পথ ধরে তাকে  খুঁজে যেতাম । কিন্তু ইমরোজ ছিল অপরিবর্তিত ,

আমাকে পাশ কাটিয়ে সে কাটা ঘায়ে নুন দিতে ভুলত না। ওকে কখনও বলাই হয়নি যে

তাতে আমার জ্বলত না ।একটা নিতান্তই কাঠখোট্টা কাঠের পুতুল থেকে সে যে

আমায় 'মেয়ে ' করে গিয়েছিল !

 

নিজের এই করুন অবস্থার পরিনতি কি সেটা আমি জানতাম না ।

 

''কি ভাবছ ?'' ইমরোজের কথায় বাস্তবে ফিরে আসলাম ।

''না এমনি '' সামলে নিয়ে বললাম ।

''আমি কিন্তু অনেক কিছু ভাবছি ''

'' কি ভাবছ ?''

'' আমি গত একমাস ধরে আমার ক্লাস নাইনে ফিরে গেছি, মর্ম  ''

হাসি গোপন করে বললাম , '' কোন দুঃখে ?''

''সময় যে এত ছলনা জানে ! সেই সময়গুলি যখন পার করেছি তখন একবারও মনে হয়নি

সেটাই আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় ছিল ''

'' সে আমি জানি , তুমি কত বড় টিউবলাইট !''

'' টিউবলাইট জ্বলবার পর কিন্তু আর ফিউজ হয়নি !''

আমি আরেকদিকে মুখ ঘুরিয়ে হাসলাম । ইমরোজ আমার দিকে ঘুরে বলল ,'' তোমার

সাথে প্রথম দেখাটা মনে পড়ছে । কি যে ছিলাম তখন ! হাহাহা ''

আমি আনমনে হাসতে লাগলাম । এসব স্মৃতি আমাকে কখনই কি ছেড়ে গিয়েছে ?

 

ওর সাথে আমার প্রথম দেখা আমাদের স্কুলের একটা আর্ট কম্পিটিশানে । এত এত

রঙ পেন্সিল,জলরঙ, তুলি আর বোর্ড নিয়ে আমি যখন স্কুলে ঢুকছিলাম তখন শুনি

কয়টা ছেলে ফিসফিস করে বলছে, '' ও এটাই মর্ম ?'' , আমি পাশে তাকিয়েই দেখি

ছেলেগুলি অপ্রস্তুত হয়ে এদিক ওদিক তাকানোর ভান করছে ,কেবল মাঝখানের

ছেলেটা কেডস দিয়ে মাটি খুড়তে খুড়তে চোখ কুঁচকে সরাসরি আমার দিকে তাকিয়ে

আছে । আমি কিছু না বলে চোখ দিয়ে আগুন বের করে চলে আসলাম । পরবর্তীতে দেখা

গেল সেই ছেলেটি একজন প্রতিযোগী , তার নাম ইমরোজ । ছবি আঁকার ব্যাপারে

আমার আগে থেকেই একটু নামডাক ছিল , আমি কম্পিটিশানে ফার্স্ট হয়ে গেলাম ,

তারপর দেখি সেকেন্ড হয়েছে সেই ইমরোজ ।ফার্স্ট হতে পারেনি বলে মুখ শক্ত

করে রেখেছিল , তার অবস্থা দেখে মনে হল সে ই ফার্স্ট হবার একমাত্র যোগ্য,

তার প্রতিভার মুল্যায়ন হয়নি , সে ব্যাপক ভাবে তেজ দেখিয়ে  বের হয়ে গেল ।

আমি আমার বন্ধুদের সাথে অনেক মজা করে বের হলাম ,বেরিয়ে দেখি ইমরোজ মুখ

গম্ভীর করে দাঁড়িয়ে আছে এবং তাকে ঘিরে তার বন্ধুরা  । আমি একটু অবাক , এই

ছেলে এত খেপল কেন সেটাই বুঝতে পারছিলাম না ।আমরা ওদের কাছাকাছি ই

দাঁড়িয়েছিলাম ।ইমরোজদের গ্রুপ আমাদের এক বছর সিনিয়র , ক্লাস নাইন টিম ছিল

। সিনিয়র বলেই কি জুনিয়র দের হেলাফেলা করবে নাকি ? মগের মুল্লুক !

 ইমরোজের পাশ থেকে পিচ্চি টাইপ একটা ছেলে আমাকে এসে বলল , ''হেই মর্ম

congrates ''

আমি থ্যাঙ্কস বলার পর বলল , '' আমি রাহাত । আর হ্যা ইমরোজের ব্যবহারে

অবাক হইও না , ও এমনই, ওর পক্ষ থেকেও তোমাকে শুভেচ্ছা ।''

'' উনি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আমার সেটা মনে হয়না '' তারপর ইমরোজের দিকে

একবার তাকিয়ে রাহাত ভাইয়া কে বললাম , '' এত অহংকার ভাল কি ?''

রাহাত ভাইয়া কিছু বলতে যাচ্ছিল ,তার আগেই শুনি ইমরোজ গলা উচিয়ে বলছে , ''

মেয়েরা আমাকে নিয়ে কেন যে এত ছোক ছোক করে আমি না বুঝিনা দোস্ত ''

আমার মাথায় আগুন লেগে গেল , '' তোমার ব্যাপারে আগ্রহ নেই কারো "'

সে এদিকে নিজের কথার খেই ধরে বলছে , '' সব্বাই শুধু আমার সাথে কথা বলতে চায় ''

আমি বুঝলাম , এই ছেলে তলে তলে মহাত্যান্দর , অনেক ক্ষণ ধরে দেখছি আর না ,

আমি তার সামনে গিয়ে বললাম ,

'' নিজেকে কি মনে কর ?প্রিন্স ?তোমার মত প্রিন্স আমাদের স্কুলে অনেক আছে

, আর যার পিছেই ঘুরি তোমার পিছে আমি অন্তত ঘুরবনা ,mind it ''

ছেলেটা আমার দিকে হা করে তাকিয়ে ছিল ।

 

আজকে বলতে ইচ্ছে হল ,আমি আমার কথা রাখতে পারিনি ।আমি ছাগলের মত তোমার

প্রেমে পড়ে তোমার পিছেই ঘুরেছি ।

 

বাস্তবে ফিরলাম আমি, ইমরোজের দিকে ফিরে বললাম , '' আর সেই ঘটনাটা ? যেটা

ড্রাম বাজাতে গিয়ে ঘটল ?''

'' হ্যা । আসলে হয়েছিল কি............ ''

'' আমি জানি কি হয়েছিল '' বলে আবার হারিয়ে গেলাম স্মৃতির ক্যানভাসে ।

 

স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠানে প্যারোডের জন্য রিহারসেলে এসে ড্রাম

বাজাচ্ছিল ইমরোজ , আর আমি অনুষ্ঠানের ধারাবর্ণনার স্ক্রিপ্ট লিখায়

ব্যাস্ত । আমি হঠাত মাথা তুলে পাশে তাকিয়েই দেখি তার দৃষ্টি আমার উপর

স্থির । আমি চোখের পাতা ঝাপ্টাতেই সে মুখ ঘুরিয়ে ড্রাম বাজাতে বাজাতে

পাশের বন্ধুকে বলল , '' সবাই আমাকে দেখে আড়ালে আড়ালে ''

আমি কাগজ হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়লাম , ওর দিকে তাকিয়েই । কোমরে হাত দিয়ে

জ্বলন্ত দৃষ্টিতে ওকে ঝলসাতে লাগলাম ।পরিস্থিতি সামলাতে রাহাত  ভাইয়া এসে

বলল ,''চল তোমার স্ক্রিপ্ট দেখি ,ম্যাডাম দেখতে বলেছে আমাকে ''।

আমি মাটিতে একটা কিক মেরে রাহাত ভাইয়ার সাথে প্যান্ডেলে ঢুকলাম । উনাকে

স্ক্রিপ্ট দিলাম , আমি রাগে কথা বলতে পারছিলাম না । আমার মত ভাল মানুষের

লাইফে এই লেভেলের পেইন মেনে নেয়া যায় না । রাহাত ভাইয়া স্ক্রিপ্ট পড়তে

পড়তে বলল , ''  তোমার ইমরোজ ছেলেটাই এমন,ওর উপর ফায়ার হয়ে লাভ নাই । ও

এমনই ছেলে , দেমাগি ,মাটিতে পা পড়েনা । ফার্স্ট বয় তো তাই ''

'' উনি যা ইচ্ছা হোক আমার তাতে কি ? আমার  সাথে এমন শুরু করছে কোন দুঃখে ?''

'' আরে মেয়ে তোমার ইমরোজ ছেলেটাই এমন ......''

'' আরে কি আজিব ভাইয়া তুমি বারবার আমার ইমরোজ আমার ইমরোজ করতেছ ক্যান ?

ধুরররর ''

আমার কথা শেষ না হতেই দেখি বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ইমরোজ চেয়ার টানতে টানতে

প্যান্ডেলে ঢুকছে আর বলছে , '' আমার নাম দেখি মুখ থেকেই সরেনা !!!!''

রাহাত ভাইয়া ওকে থামাতে গেল আর আমি দুপদাপ পা ফেলে চলে আসলাম । আর মনে

মনে  বললাম , '' তোরে খাইছি ! আজ হোক আর কাল ! ''

 

লাঞ্চের ব্রেক । আমাদের যাবতীয় ভলান্টিয়াররা রেস্ট নিচ্ছে ,আমি আমার এক

ফ্রেন্ডের এম পি ফোর প্লেয়ারে গান শুনতে শুনতে মাঠে হাটছি , একটু পর দেখি

সে, জি হা সেই ইমরোজ, তিনি ও কানে তার ঢুকিয়ে মাঠের দিকে আসছে ,যখন ঠিক

আমার প্যারালালে হাটা শুরু করল তখন মেজাজ যা খারাপ লাগছিল । কান থেকে

ইয়ারফোন খুলে চেচিয়ে বললাম , '' মানুষ শুধু কপি ই পারে '', বলে মাঠ থেকে

বেরিয়ে আসলাম ।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যন্ত এরকম হাজারটা খুনশুটি চলেছিল । রাগে মাথাটা সেদিন

 হ্যাং হয়ে গিয়েছিল । ঘুমোতে পারিনি  রাতে ।

 

 

তারপর থেকে ---- পথে দেখা হলেই চলত চোখে চোখে  দুষ্টুমি । পথে চলতে চলতে

ও আমার সামনে থাকলে আমার দিকে ফিরে হাসাহাসি শুরু করত । অথবা অনেকটা দূর

থেকে কাউকে আমার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে সামনাসামনি এসে যখন দেখতাম সেটা

ইমরোজ , তখন প্রথমেই যেটা করতাম সেটা ছিল ভেংচি কাটা ।অথবা সেই

ভ্যালেন্টাইন্স ডে এর দিন,ওর আমার পিছু পিছু হেটে আসা , আমি এক দোকানে আর

একটু দূরে আরেক দোকানে তার দাঁড়িয়ে থাকা তারপর একজন আরেকজন কে নকল করে

চকলেট খাওয়া ।শীতের সকালে কোচিং শেষে স্যারের বাসার সামনে ওর দাঁড়িয়ে

থাকা আর তখন আমার ওই পথে স্কুলে যাওয়ার সময় আমাকে দেখে ইচ্ছা করে হাই

তোলা ,আরো কতইনা স্মৃতি !

কখন যেন এসব দুষ্টুমি মনের ভেতরটায় গেথে গিয়েছিল , বুঝতেই পারিনি।

 

 

তারপর একসময় ওর স্কুল ছেড়ে চলে যাওয়া । যেখানে আগে প্রতি সপ্তাহে পথে

তাকে পেতাম , সেই সময়টা বেড়ে গিয়ে দাঁড়াল মাসের কোঠায় । কখনও কখনও দুই

তিন মাস  পরপর , এতদিন পর যখন ও চোখে পড়ত তখন কেন যেন একবার দেখেই চোখ

ফিরিয়ে নিতাম ।ইমরোজ ও নির্লিপ্ত থাকত । ধীরে ধীরে আমরা দুজনেই কি তখন

পরিনত হচ্ছিলাম ? শেষ দেখা ছিল আমার এস এস সি'র ফলাফলের দিন , কেন যে সে

স্কুলে এসেছিল আমি জানিনা । আমি বুঝতে পারিনি  , হয়তবা বুঝতে চাইনি ,

অনেক কষ্টে মন বেঁধে রাখার চেষ্টা চালাচ্ছিলাম যে !

 

তারপর কেটে গেছে  অনেকগুলি দিন । ওর পথ খুজতে খুজতে আমি ক্লান্ত হয়ে থেমে

গিয়েছি ।গ্রীষ্মের রুক্ষতায় পুড়ে, বর্ষার কান্নায় কেঁদে , শরতের হাসিতে

হেসে , হেমন্তের স্নিগ্ধতায় স্তব্ধ হয়ে , শীতের জীর্ণতায় ছারখার হয়ে ,

বসন্তের রুপের আগুনে পুড়ে খাটি হতে হতে পার করে এসেছি সাতটি বছর । ভুলে

গিয়েছিলাম বেশিরভাগ স্মৃতি ।

একদিন শুনলাম আমাকে বাসা থেকে তাড়ানোর লগন এসেছে । যারা আমাকে দেখতে

এসেছিল তাদের মাঝেই দেখলাম সাত বছর আগে হারিয়ে যাওয়া ইমরোজকে ।

 

আমি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ইমরোজের দিকে তাকালাম , আমাকে তাকাতে দেখে ও বলল ,

'' এতটা নিশ্চুপ এতটা শান্ত তো কখনই ছিলেনা তুমি ''

'' সাতটা বছর অনেকটা সময়  , বদলে যাবার জন্যে ''

'' হয়ত তুমিই ঠিক''

'' তুমিও বদলেছ , অবশ্যই ''

ইমরোজ হেসে ফেলল ,'' তা না হলে এই ছাদ যে এতখনে রণক্ষেত্র হয়ে দাঁড়াত !''

আমি ও হাসলাম , তারপর বললাম ,'' একটা প্রশ্ন করি ?''

''কর ''

'' এই যে এতদিন পর এভাবে ফিরে আসা , কাকতালীয় নয় কি ?''

'' না মর্ম । একবিন্দু ও নয় ''

''তবে ?''

'' এতটা বছরে অন্ধের মত নিজেকে তৈরি করেছি , মিথ্যে বলবনা ,মনে ছিলনা

আগের অধিকাংশ স্মৃতি । আম্মু যখন বিয়ের কথা শুনিয়ে জানতে চাইল কাউকে

পছন্দ করি কিনা ,আমি দুদিন সময় চাইলাম ।ভাবা শুরু করতেই আমি যেন এক

ঝটকাতে সাত বছর পেছনে গিয়ে তোমার স্মৃতির বন্ধ দরজায় গিয়ে আটকে গেলাম ।

এতদিন আমি এতকিছু কিভাবে ভুলেছিলাম ? নিজেকে খুব অপরাধী লাগত । ফেসবুকে

আমার বিচরন ছিল না , রাহাতকে জিজ্ঞেস করলাম তোমার খোজ জানতে । ওর বন্ধু

তালিকাতে তুমি ছিলে , তারপর তোমার ঠিকানা পেলাম ,তারপর ......''

আমি বলতে থাকলাম , '' বন্ধ হয়ে থাকা দরজাটা খুলে গেল , তাই তো ?''

ইমরোজ আমার হাতটা ধরল ।আমি চোখ বন্ধ করে সেই অসাধারন অনুভুতিটার স্বাদ নিলাম ।

 

হঠাত শুনি সে  দুষ্টু হাসি হেসে বলছে ,

 

''হুমমমমম  সবাই শুধু মনেমনে আমার কথাই ভাবে ''

আমি কোমরে হাত দিয়ে ওর দিকে তাকালাম ।ওর চোখে সেই হারিয়ে যাওয়া দুষ্টুমির অনুরণন ।

 

সেই ইমরোজ । সেই আমি ।

Share