আমাদের অনুভুতি

লিখেছেন - ভালবাসার গল্প | লেখাটি 2185 বার দেখা হয়েছে

বন্ধুর লেখার লিঙ্ক দেখে ভালবাসার গল্পে আসা। কখন যেন নিয়মিত হয়ে গেছি নিজেও জানিনা। সারাদিনের ব্যস্ততায় নগরীর একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে বেড়ানো আমার দৈনন্দিন রুটিনের মাঝে বেশ নিয়ম করেই গল্প পড়া হতো। প্রথম থেকেই গল্পে গঠনমূলক কমেন্ট দিতে চেষ্টা করতাম। নতুন লেখকদের লেখাগুলো পড়তে চমৎকার লাগতো। তাদের ভুল ভ্রান্তিগুলো নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে ধরিয়ে দিতে চেষ্টা করতাম। একটা সময় নিজেকে আবিষ্কার করলাম এই পরিবারের একজন হিসেবে। ভালবাসার গল্প তার মায়াময় ভালবাসায় জড়িয়ে নিয়েছে আমাকে। পেইজের জন্য দেয়া সময় এখন আমার প্রতিদিনের অত্যাবশ্যকীয় কাজের তালিকায় চলে এসেছে।

 

ভালবাসার গল্প পেইজের প্রথম শুভ জন্মদিনে সবাইকে জানাই অভিনন্দন। যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে পেইজের প্রতিদিনের জটিল কাজগুলো হাসিমুখে করে যাচ্ছে, সেই এডমিন প্যানেলের জন্য আজকের দিনটা ঈদের দিনের মতই উজ্জ্বল, তাদের অভিনন্দন, শুভকামনা। নিয়মিত ও অনিয়মিত সকল লেখক লেখিকাকে অভিনন্দন, তোমাদের সাহায্য ছাড়া আমরা এতটা পথ পাড়ি দিতে পারতাম না। সবচাইতে বেশী অভিনন্দন আমাদের চৌত্রিশ হাজারেরও বেশী লাইকারদের। আপনাদের কোলাহলে ভালবাসার গল্প মুখর থাকে চব্বিশ ঘণ্টা।

 

শুভ জন্মদিন ভালবাসার গল্প।

 

- জয় কবির

 

--------------------------------------------------------------------------------------------

 

একটা ফেসবুক পেইজ যে কখনও এতগুলো মানুষকে বিশুদ্ধ আবেগের বন্ধনে বাঁধতে পারে, ভালবাসার গল্প পেইজটিই তার একমাত্র উদাহরণ। এখানকার সবার আন্তরিকতা নতুন করে ভালবাসতে শেখায়, ভালবাসায় বিশ্বাস করতে শেখায়। শুভ জন্মদিন ভালবাসার গল্প...... সবাই আমাদের পক্ষ থেকে ভার্চুয়াল কেক খেয়ে নেবেন ....

 

- আয়েশা কাশফী

 

--------------------------------------------------------------------------------------------

 

এ বছরই..জানুয়ারির শেষ দিকে।এক সন্ধ্যায় বাবার ফোন আসল।আমার বাবা একজন ডাক্তার।সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে কর্মরত।বাবা সন্ধানীর সাথেও বেশ ভালভাবে জড়িত।এরই প্রেক্ষিতে সিলেট ওসমানী মেডিকেলের কিছু ভাইয়া-আপু সুনামগঞ্জ আসলে উনারা আমাদের বাসায় আসেন এবং সন্ধানীর বার্থডে তে বাবাকে ইনভাইট করেন।একই দিনে আবার বাবারও জন্মদিন।

সেই সময়ই আমি ভালোবাসার গল্পে "পুরানো সেই দিনের কথা" গল্পটা লিখেছিলাম,যেটা কিনা আমার বাবা-মা'র ট্রু লাভ স্টোরির উপর লেখা।তো ভাইয়া আপুদের সঙ্গে কথাপ্রসঙ্গে সেদিন বেরিয়ে এল যে,বাবা-মা'ই হচ্ছেন পুরানো সেই দিনের কথার নায়ক নায়িকা!

বাবা অত্যন্ত বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করলেন,যে তার মেয়েকে এই ছেলেমেয়েগুলো চেনে!না,সরাসরি না।তবে রাহনুমা কুমকুম নামটা দেখেছে ওরা।ফেসবুকের পাতায়।এমনকি,তার নিজের লাভ স্টোরিও জানে এরা!লজ্জা পাবেন না খুশী হবেন বুঝে উঠতে পারেন না..ওরা চলে যাওয়ার পরই আমাকে কল করেন..

-"মা, তুই নাকি কি গল্প লিখছিস আমাকে আর তোর মাকে নিয়ে?আমাদের লাভ স্টোরি!!"

এবার আমার অপ্রস্তুত হবার পালা।বাবা মাকে এ ব্যাপারে কিছুই বলা হয়নি আমার।ওঁরা আপত্তি করবেননা এটুকু নিশ্চয়ই জানতাম,তবু কি এক সংকোচে যেন আর বলা হয়ে ওঠেনি।কিন্তু মানুষ আমার গল্প পড়বে,মনে রাখবে এবং বাবা-মা'র কান পর্যন্ত ব্যাপারটা পৌঁছে যাবে ঘুনাক্ষরেও ভাবিনি আমি!

ফোনের ওপাশে এবার মা ও।হাসতে হাসতে বললেন-"গল্পের নায়িকা বানায়ে দিছিস আমাকে,আগে বলবি না?একটু সেজেগুজে থাকতাম!"

"মা,তুমি যে ছিপছিপে ছিলা সেটাও লিখসি.."

-"হায় হায় তাহলে তো ওরা ভাববে তুই নির্ঘাত গুল মারছিস!"

 

৫ ফেব্রুয়ারি।সন্ধানী এবং আব্বুর বার্থডের দিন।ওসমানী মেডিকেল কলেজে বাবা-মা'র হাতে আমারই লেখা গল্পটা তুলে দেয়ার সৌভাগ্য হয় আমার।যেটা কিনা ওই ভাইয়া আপুরাই কাগজে প্রিন্ট করে র‍্যাপিং পেপারে মুড়ে দিয়েছিলেন-সেটা ছিল তাদের পক্ষ থেকে আব্বুকে জন্মদিনের উপহার..

 

সেই যে সেদিন বাবা শুনলেন,আমি তাদেরকে নিয়ে গল্প লিখেছি,শুনে তৎক্ষণাৎ আমাকে ফোন করলেন..বাবার কণ্ঠে কি এক অদ্ভুত খুশী যে ছিল!

খুব সহজেই কেঁদে ফেলি আমরা বাপ মেয়ে।তাই ফোনের ওপাশে বাবার আর্দ্র কণ্ঠ,স্পষ্ট বুঝতে পারছিলাম আমি।নিজের মেয়ের নাম অন্যের মুখে শুনে,নিজের মেয়ের গল্পে নায়ক হতে পেরে খুশীর কান্না ধরে রাখা কষ্টকর হয়ে যাচ্ছিল তার জন্য..

ভালোবাসা..কি সহজে কাঁদিয়ে দেয় তাইনা!

 

ভেবেছিলাম,বাপ-দাদার চেয়েও বড় ডাক্তার হব,ফ্যামিলি ট্র্যাডিশন বজায় রাখব।এমন কিছু করব যাতে একদিনের জন্য হলেও মানুষ আমার বাবাকে আমার নামে চেনে।বলে,রাহনুমা কুমকুমের বাবা!!এতো বড় সৌভাগ্য..হোক না তা যত ক্ষুদ্র পরিসরে..এতো তাড়াতাড়ি এনে দিল আমাকে ভালোবাসার গল্প।ফেসবুকের একটা পেজই তো শুধু তাইনা?!!না।আমার কাছে বোধয় আরও বেশী কিছু..

আমার বাবার হাসি..আমার স্বপ্নপুরন কিংবা তারচেয়েও বেশী..

 

শুভ জন্মদিন ভালোবাসার গল্প..

 

- রাহনুমা কুমকুম

 

--------------------------------------------------------------------------------------------

 

‎"ভালবাসার গল্প",আমার এই দ্বিতীয় পরিবারকে নিয়ে বিশেষভাবে কি বলবো!? পরিবার এবং পরিবারের মানুষগুলোকে নিয়ে বিশেষভাবে কি কিছু বলা প্রয়োজন হয়?

 

শুধু এটুকু বলি, এই পেজ এবং পেজের মানুষগুলোকে নিজের পরিবার এবং পরিবারের মানুষগুলোর মতই ভালবাসি।

 

ছিলাম, আছি এবং থাকবো, আমার এই দ্বিতীয় পরিবারের মায়ার বৃত্তে বন্দী হয়ে।

 

অনেক অনেক ভালবাসা পেইজের প্রতিটি সদস্যের জন্য।

 

শুভ জন্মদিন "ভালবাসার গল্প"

 

- মোস্তাফিজুর রহমান শুভ

 

--------------------------------------------------------------------------------------------

 

ভালোবাসার গল্প

 

ফেসবুক ইউজার অথচ এই পেইজের সাথে পরিচয় নেই এমন খুব কম আছে। খুব সুন্দর একটি পদক্ষেপের মাধ্যমে মিষ্টি সব গল্প পৌঁছে দিয়েছে সবার কাছে। আয়োজন করেছে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা এবং মানবিক কর্মকাণ্ডের। বাংলাদেশের ভার্চুয়াল জগতে জায়গা করে নিয়েছে সর্বাধিক মানুষের মনে।

 

একটা সময় ছিল যখন আমরা সবাই মুখিয়ে থাকতাম বই মেলার জন্যে। বই মেলা ছাড়া গল্প পাওয়া অনেকটা দুষ্কর ছিল। আর আমাদের কিনা বইয়ের মধ্যে অধিকাংশই থাকত জনপ্রিয় লেখকদের আধিপত্য। নতুন লেখকদের প্রতিভা বিকাশের তেমন সুযোগ ছিল না। এর পরে ব্লগ এবং ফোরামগুলো যখন আসে, উঠে আসে অনেক নতুন প্রতিভা। তবে ব্লগ এবং ফোরামে কাঙ্ক্ষিত সংখ্যক পাঠক পাওয়া যায় না কখনো। নতুন লেখকদের লেখা প্রকাশে ভালোবাসার গল্পের প্রয়াস ছিল তাই প্রশংসনীয়।

 

ভালোবাসার গল্প পেইজটির ভবিষ্যৎ সুন্দর সাফল্য কামনা করি।

 

- রিয়েল ডেমোন

 

--------------------------------------------------------------------------------------------

 

ঠিক কবে কোন গল্পটা পড়ে ভালবাসার গল্পে আমার আগমন হয়েছিল মনে পড়ছেনা। তবে এটা ঠিক যে আমি অনেক মুগ্ধ হয়েছিলাম পেজের গল্প গুলো পড়ে। আমি অসম্ভব বই পড়ুয়া একটা মেয়ে। কিন্তু আমার পিসি বা ল্যাপটপে গল্প পড়ার ধৈর্য অনেক কম ছিল। ছিল বললাম কারণ এরপর থেকে আমি প্রতিদিন নিয়ম করে ভালবাসার গল্পের সব গল্প পড়তাম। ফেসবুকে আর কোন কিছুর প্রতি আমার এমন অ্যাডিকশন ছিলনা। গল্প গুলো পড়ে হাসতাম,কাঁদতাম আর মাঝে মাঝে হিংসাও হতো এটা ভেবে যে আমার জীবন কেন এমন হয়না? এরকম করে পড়তে পড়তেই আমিও একদিন ঝোঁকের বশে একটা গল্প লিখে পেজে পাঠিয়েছিলাম। সেদিন অনেক ভয়ে ছিলাম,ওদের পছন্দ হবে তো? ওরা পাবে তো?

 

লেখা পাঠানোর একদিন পরেই আমি রিপ্লাই পেয়েছিলাম যাতে লেখা ছিল ''আপু,আপনার গল্পটা পোস্ট হয়ে গেছে।''

 

সেদিনের সে কথাটা একজন নবীন লেখকের জন্য কতটা উৎসাহজনক,সে অনুভূতি আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবোনা।

 

তবে আমার সবচেয়ে বড় অর্জন হল মানুষগুলো। এখানে এসে আমার অসাধারণ কিছু মানুষের সাথে পরিচয় হয়েছে। এখানে না আসলে আমি এদেরকে পেতাম না।

 

আমি ভালবাসার গল্পের একজন গর্বিত পাঠক। ''ভালবাসার গল্প''কে জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা আর ভালবাসা।

 

- নাজমুন নুসরাত

 

--------------------------------------------------------------------------------------------

 

এক ফ্রেন্ডের মাধ্যমে চেনাজানা। গল্প খুব একটা পড়া হয় নি পরিচয়ের সাথে সাথেই। একসময় খেয়ালের বশেই মাষ্টারমাইন্ডের (পেইজের গল্প পাঠানোর মেইল আইডিটা) কাছে একটা পিচ্চি গল্প পাঠিয়ে দেই। এক সপ্তাহ পরে ফিরতি মেইল আসে। পঁচিশে সেপ্টেম্বর। গল্প পৃষ্ঠায় গিয়েছে। পেইজে গিয়েতো চোখ কানাবড়া। আমার গল্পটা কত মানুষ পড়েছে, পড়ছে, শেয়ার করছে। আমার এখনো স্পষ্ট মনে আছে- হাত কাঁপছিল। স্থির থাকাটা খুব কষ্টের ছিল। আমার মনে আছে আমি একটু পর পর পেইজ রিফ্রেস করতাম নতুন কমেন্ট দেখার জন্য। এমনকি কিছু কিছু কমেন্ট পড়ে চোখ শুকনো রাখতে পারি নি। প্রথম অনুভূতি সবসময়ই একটু স্পেশাল হয়। সেই অনুভূতির প্রকাশ আসলে কোন ভাষা দিয়েই সম্ভব না। আর 'ভালবাসার গল্প' তার ভালবাসার বিশাল ছায়ায় আমাকে ঢেকে দিয়েছিল।

 

তারপর থেকেই মূলত গল্প-টল্প লেখার চেষ্টা করি। কতটুকু কি হয় জানিনা। তবে লেখার জন্য পাওয়া সাহসটার জন্য আমি 'ভালোবাসার গল্প'-এর কাছে ঋনী। কিছু কিছু ঋন আজীবন রেখে দিতে হয়। শোধ করতে হয় না।

 

'ভালবাসার গল্প' এখন শুধু একটা পেইজই না। এই একান্নবর্তী পরিবারের সদস্য আজ প্রায় চৌত্রিশ হাজার। চৌত্রিশ হাজার মানুষ ফেলনা কিছু না। এদের শক্তি অনেক। সবাইকে এক বছর সঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ। আশাকরি আমরা আরো অনেকদিন একসাথে পথ চলব। কারন এই পথচলার শক্তি ভালোবাসার।

 

শুভেচ্ছা সব পাঠক, লেখকদের। বিশেষ শুভেচ্ছা অ্যাডমিনদের যারা পেইজটাকে আগলে রাখছেন নিয়মিত।

শুভ আবির্ভাব দিবস, 'ভালোবাসার গল্প'।

 

- ইমরান নিলয়

 

--------------------------------------------------------------------------------------------

 

"ভালবাসার গল্প"র সাথে আমার পরিচয় শুরু হয় একটা "লাইক" এর মাধ্যমে। মাত্র হাতে গোনা কিছু মানুষের সাথে আমিও এই পেইজে লাইক দেই। লাইক দেই কারণ পেইজের নামটা ভালো লেগেছিল। ভালো লেগেছিল সদ্য পোষ্ট করা গল্পটিও। কি মনে করে একদিন ব্লগ থেকে আমার লেখা একটা গল্প পেইজে মেইল করে পাঠিয়ে দেই। তারপর থেকে আর থেমে থাকিনি। গল্প পড়া, গল্প লেখা, কিংবা অচেনা আর অদ্ভুত সব মানুষকে চেনা লাগতে থাকা অনুভূতির একটা বৃত্তে বন্দী হয়ে গিয়েছি।

 

"একুয়া, একু, এক্কুপু, এক্কাপা, রেজিপা, রেজিয়াপু, এক্কুবেক্কু"সহ...নানান নামের মাঝে নিজেকে বার বার খুঁজে পেয়েছি। আমার অদ্ভুত এক মায়া কাজ করে এ পেইজটি ঘিরে। ছোট্ট একটা পরিসর থেকে একটু একটু করে এগিয়ে যাচ্ছে "ভালবাসার গল্প"। শীতার্তদের শীতবস্ত্র দেওয়া, পথশিশুদের মুক্তিযুদ্ধের সিনেমা দেখানো কিংবা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে এক টুকরো হাসির কারণ হতে পারা এই পেইজটি এখন আগের চেয়েও অনেক শক্তিশালী। আর চৌত্রিশ হাজার মানুষের ভালোবাসা যেখানে একত্রিত আছে সেখানে আমরা ছকের বাইরে কিছু স্বপ্ন দেখার আশা করতেই পারি! তাই দুর্দান্ত কিছু স্বপ্ন নিয়ে সাথেই আছি...

 

প্রিয় পেইজটিকে জন্মদিনের নিরন্তর শুভেচ্ছা।

 

- একুয়া রেজিয়া


শুরুটা প্রায় শুরু থেকে , পেইজের সমস্ত গল্প পড়ার জন্য অধীর হয়ে বসে থাকতাম , এই মায়াময় পরিবারের সদস্যরা আপন করে নিয়েছে অতি ক্ষুদ্র এই আমাকে কিছু বুঝার আগেই , ভার্চুয়াল এই পরিবারের গন্ডি পেরিয়ে আমরা সবাই হয়ে গেছি খুব আপন , অনেক কাছের জন । একবছরের পথ চলায় প্রায় চৌত্রিশ হাজার বন্ধুর সমাবেশ , সংখ্যাটা বেড়েই চলেছে । এভাবেই বাড়তে থাকুক ভালবাসার দিন গুলো ।

 

শুভ জন্মদিন ভালবাসার গল্প , অনেক অনেক শুভেচ্ছা , ভালবাসার গল্প কে , এর কলাকুশলী এবং অবশ্যই পাঠকদের যাদের জন্য এবং যাদের ঘিরে এই পথ চলা ।

 

- নুহা চৌধুরী

 

--------------------------------------------------------------------------------------------

 

সক্কালবেলা ঘুম থেকে উঠে বিছানায় শুয়ে প্রথম ভ্রমন, ক্লাসের ফাকে মোবাইল গুতিয়ে, বাসায় ফিরে ব্যাগটা ছুঁড়ে দিয়ে একছুটে ল্যাপটপের সামনে আর রাতে ঘুমুনোর আগে না এলে কি চলে? আমার সারাদিন ভালবাসার গল্পময়।

 

“ভালবাসার গল্প” কারো কারো কাছে একটা ফেইসবুক পেইজ… কারো কারো কাছে নিত্য নতুন গল্প লেখার, পড়ার একটা মাধ্যম। আমার কাছে এটা আমার পরিবার। একটা বিশাল পরিবার, যেখানে আমরা সবাই একসাথে আমাদের আবেগগুলো ভাগাভাগি করে নিই। এই পরিবারের মানুষজনকেই কেবল ছবিতেই দেখেছি। বেশিরভাগ জনকে দেখাই হয়নি কখনো। অথচ কোন একটা জায়গায় আমরা সবাই মিলে মিশে একাকার হয়ে গেছি। আমরা একইরকম ভাবি, একইরকম বলি… মাঝে মাঝে মনে হয় অনেক গুলো কন্ঠ কিন্তু একটাই সুর… এই কন্ঠগুলোকে একসাথে এক প্ল্যাটফর্মে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছে ভালবাসার গল্প।

 

প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নানাভাবে আমাদের মধ্যে নতুন নতুন গল্প তৈরী হয়, নতুন হাসি কান্না… আমরা আরো কাছাকাছি এসে যাই নিজেদের অজান্তেই। ৩৪০০০ এরও বেশি মানুষের একটি বিশাল পরিবার চাইলেই অনেক কিছু, অনেক বেশি কিছু করে ফেলতে পারে। আমরা তাই নানা সামাজিক উদ্যোগ নেয়ার সময় কখনো দুশ্চিন্তায় পড়ি না, “সব কিছু ঠিকঠাক ভাবে হবে তো? আমাদের পিছিয়ে পড়তে হবে না তো?” কারণ আমরা বিশ্বাস করি এই পরিবারের মানুষগুলো প্রতিটা উদ্যোগে আমাদের সাথে আছেন। সরবে কিংবা নীরবে… কিন্তু আছেন নিশ্চয়ই…

 

ভালবাসার গল্প নিয়ে গল্প করতে বসলে দিন পেরিয়ে যাবে, তবু গল্প শেষ করা যাবে না। একগাদা পিচ্চি ভাইবোন পেয়েছি আমি… সারাদিন কিচিমিচি করতে থাকা এদের দেখলে জীবনটা রঙিন মনে হয়… বড় ভাইয়া আপুরাও আছেন যাদের কাছে আমি সেই পিচ্চিটা হয়ে যাই…

 

আজ আমার প্রিয় পেইজটার জন্মদিন। অনেক অনেক অনেক ভালবাসা আর শুভ কামনা তাকে। সেই সাথে আমার বিশাল পরিবারটিকে শুভেচ্ছা… অনেক দূর এগিয়ে চলুক ভালবাসার গল্প, নিত্যদিন সৃষ্টি হোক নতুন নতুন ভালবাসার গল্প।

 

শুভ জন্মদিন…

 

 -তৃপ্ত সুপ্ত

 

--------------------------------------------------------------------------------------------

 

এক বন্ধুর সাথে চ্যাট করছিলাম। আমাদের আড্ডা যখন শাখা প্রশাখা মেলতে শুরু করলো, তখন সে জানালো যে তার মন খারাপ। আমি মন খারাপের কারন জানতে চাইলাম। প্রত্যুত্তরে সে আমাকে বললো যে ফেসবুকের একটা পেজে গল্প পড়ে তার খুব মন খারাপ হয়েছে। আমি নড়েচড়ে বসলাম। বিস্মিত হওয়ার ইমো দিয়ে বললাম, "পেজের কোনো লেখা পড়ে আবার মানুষের মন খারাপ হয় নাকি? আমি তো জানতাম ঐসব পেজে শুধু একটা কথাই লেখা থাকে- লাইক দিন প্লিজ! ভালো লাগলে লাইক মাস্ট!"

আমার হালকা রসিকতা গায়ে না মেখে সে সেই গল্পের লিংক দিয়ে দিলো। গল্পের নামঃ লাবনী যেদিন কেঁদেছিলো। গল্পটা আমি পড়লাম। আবার পড়লাম। ওদিক থেকে বারবার মেসেজ আসছে, "কি হলো? এখনো পড়া শেষ হয় নাই?" মেসেজের উত্তর না দিয়ে আমি তখন ভাবছি, কি পড়লাম এইটা?? মনটা উদাস উদাস লাগে কেনো?

 

ভালোবেসে ফেললাম ভালোবাসার গল্পকে। একটা বছর সাথে আছি পেজের সব কার্যক্রমে, কখনো মুখে আওয়াজ তুলে, কখনো বা নীরবে। এবং থাকবো অদূর কিংবা দূর ভবিষ্যতে।

 

আজ তো শুধু একটা কথা বলারই দিন। শুভ জন্মদিনের শুভ+ইচ্ছা ফ্রম আসিফ শুভ!

 

- As If Shuvo

 

--------------------------------------------------------------------------------------------

 

২০১১ সালের জুলাই এর প্রথম দিকে "কালবোশেখী হৃদ্যতা" নামের একটি গল্প মেইল করেছিলাম। উড়োকথায় শুনেছিলাম, এই পেইজে নাকি গল্প পাঠালে এডমিনেরা বিরাট রকমের বাছাই করেন, পোস্ট করতে চায় না। আশা-ভরসা বিসর্জন দিয়ে এমনি এমনি লেখা পাঠালাম। উড়োকথায় কান দিলে, কান নিয়ে যাবে চিলে -কথা সত্য! ভালবাসার গল্প - নামের পেইজে আমার লেখা ছাপা হলো। আমার আনন্দ দেখে কে ! এরপর একের পর এক লেখা পাঠাই, লেখা প্রকাশ পায়। উৎসাহ যায় আরও বেড়ে। এক রোজার ঈদে ঈদ গল্প লেখা প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়। আমি যখন লিখতে বসি, তখন ডেডলাইন পার হয়ে গেছে। রাত বারোটায় সময় শেষ আর আমি সাড়ে বারোটায় লিখতে বসলাম। ধুমধাম করে কি যেনো লিখে রাত আড়াইটায় মেইল করে দিলাম। আমি তো ভাবলাম, জীবনেও সম্ভব না। পরে দেখি ডেডলাইন পরের দিন! ভালবাসার বানের ধাক্কায় সে প্রতিযোগীতায় একেবারে প্রথম হয়ে গেলাম, আমার কাছে কেমন জানি স্বপ্ন স্বপ্ন মনে হচ্ছিলো! আমার গল্পে না ছিলো কোনো জীবনবোধ না কোনো শিক্ষাজনক কিছু। শুধু একটা কাজ করেছিলাম, নিজেকে গল্পে মিশিয়ে দিয়েছিলাম। ফলাফল আনন্দজনক। মোটামুটি ঐদিনই আমি স্বীকৃতি পেয়েছিলাম, নাহ ! কিছুটা হলেও লিখতে জানি, মনের মাঝে একটা বিশ্বাস এসে গিয়েছিলো। এই বিশ্বাসটুকু জীবনে কতোটা যে দরকার ছিলো ! ভালবাসার গল্পের স্বার্থকতাটা এই জায়গাতেই !

 

মজার ব্যাপার হলো, এখন এটা আর কোনো পেইজ নেই। ভালবাসার গল্প এখন একটা অসাধারণ পরিবার। পরিবার এ কারণে, প্রতিটা মেম্বারই আমাদের কাছে নিজেরদের অনুভূতি খুব আবেগ দিয়ে প্রকাশ করেন, এতোটা আবেগ এর মিশ্রন একজন পরিবারের কেউ না হলে করতে পারেনা। আর অসাধারণ এ কারণে, পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৩৫ হাজার ছুই ছুই !

 

বয়স কিন্তু খুব বেশী না আমাদের! শুধু ভালবাসার জোরেই আন্তঃজালের জগত থেকে ছুটে এক জোট হয়ে গেলাম স্বপ্নবাজ আমরা। শীতে দুঃখী মানুষের কষ্ট মেনে নিতে পারলাম না, মেনে নিতে পারলাম না সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মলিন মুখ। হাজার সদস্যের সাগর পরিমান ভালবাসায় ওয়েবকে নিয়ে এলাম আমরা বইমেলায়, কাগজের দুনিয়ায়। "ভালবাসার গল্প" - অবাস্তব বলে কিছু নেই, ভালবাসার তীব্রতায় সবই বাস্তব, প্রমান করে ছাড়লো বলতে গেলে।

 

অনেক কথা বললাম, যা বলা হয়নি, আর যা বলতে চাই শেষে - ভালবাসার গল্প আমাকে অনেক গুলো ভাই-বোন দিয়েছে। না চাইতেই তাদের থেকে ভালবাসা পেয়েছি, জীবন সম্পর্কে দিক নির্দেশনা পেয়েছি। বকা খেয়েছি, আদর পেয়েছি। কি পাইনি? আবেগের এই বারিধারায় ভালবাসার গল্প রংধনু হয়ে রঙ ছড়াক, অনন্তকাল। জন্মদিনে অসীম ঘাতের অসীম ভালোবাসা রইলো।

 

- নিশম সরকার

 

--------------------------------------------------------------------------------------------

 

লাইব্রেরী বিমুখ মানুষগুলো মোবাইল আর কম্পিউটার পেয়ে অনেক দিন হল বই পত্র নাড়া চাড়া ছেড়ে দিয়েছে। আজকাল আর কেউ শখ করে সাহিত্যের বাসায় বেড়াতে আসে না। পাঠ্য পুস্তকের পৃষ্ঠার ভাঁজে আটকে থাকা মানুষগুলোকে দম আটকানো জীবনের ব্যস্ততার ফাঁকে একটু স্বস্তির নিশ্বাস ফেলার জন্য তাই সেই মোবাইল আর কম্পিউটারেই লাইব্রেরী খোলা হল। আরো গুছিয়ে বললে হবেঃ ভার্চুয়াল গ্রামে একটা পাঠাগার উদ্বোধন করা হল। না, কোনো ব্লগ কিম্বা ফোরামে পাঠাগারটা খোলা হয়নি। হয়েছে ফেসবুকে। যেখানে কেউ না চাইলেও নিয়মিত একবার করে হলেও লাঞ্চ কিম্বা ডিনার করার মত আলসেমি নিয়ে বসে যায়- সেরকম একটা গ্রামেই পাঠাগারটা হঠাৎ করে খুলে বসার উদ্যোগ নিলেন সৌরভ সাহেব, ভাল নাম মার-ওয়ান বিন নাসের। রা-ওয়ান কিম্বা জী- ওয়ানের ভূমিকাতে এলেন না তিনি। এলেন নতুন একটা কিছু বানাতে। মোটামুটি পাখির বাসা টাইপের একটা পাঠাগার বানালেন তিনি গত বছরের এই দিনটাতে। বানিয়েছিলেন একজন বিশেষ কারো জন্য। কিন্তু পাঠাগার তো আর কখনো একার জন্য হয় না, দেখতে দেখতেই ভিড় লেগে গেল ছোট্ট এই পাঠাগারের সামনে। সারা গ্রামে হৈ হৈ রৈ রৈ পড়ে গেল যে গাঁয়ে নাকি একটা নতুন পাঠাগার হয়েছে। পড়ুক না পড়ুক যাওয়া চাই ছেলে বুড়ো সকলের। সকাল নেই, দুপুর নেই, সন্ধ্যে নেই- ঘরটাতে ভিড় লেগেই আছে। ভিড় বাড়ছেই কেবল। একে একে উঠে আসা শুরু হয়েছে নতুন নতুন সব লেখদের বই সেখানে। যে বইগুলো কাগজের পৃষ্ঠায় নয়, ভার্চুয়াল পৃষ্ঠায় একেবারে প্যাপার ব্যাক করে পাঠকদের হাতে তুলে দেয়া শুরু করেছে সৌরভ সাহেব। তরুন তরুন সব লেখকদের অল্প সল্প কাঁপতে থাকা হাতের সুনিপুন লেখনিতে উঠে আসতে শুরু করল আমাদের চারপাশের জীবনটা- কখনো অগ্রাহায়নের পড়ন্ত বিকেলের নদীর পাশ দিয়ে ছুটে যাওয়া বাতাস আর নৌকার পাল, কখনো বা এক ঘেয়ে সংসারের জাঁতা কলে পিষ্ট হয়ে জীবন থেকে ছিটকে পড়তে চাওয়া মানুষদের গল্প, কখনো জীবনের নানান গলি ঘুপচিতে লুকিয়ে থাকা অজানা সব ঘটনা- হাজারটা স্বাদের হাজার জীবন এক মনিটরে বসিয়ে দিল অল্প বয়সী কিছু তরুন তরুণী! শুধু তাই নয়, ভার্চুয়াল গ্রামের বাহিরেও এসে রীতিমত কাগজের দুনিয়াতে প্রবেশ ঘটালো সেই পাঠাগারের লেখকের লেখনির। প্রকাশিত হল বইমেলায় "ভালবাসার গল্প"। জীবনের যেখানে ভালবাসার স্বল্প কিছু টান অপূর্ণ রয়ে যায়- এই পাঠাগারের মানুষগুলো পরম মমতায় পাশে এসে দাঁড়ান। গভীর ভালবাসায় পৃথিবীকে জানান দেয়ঃ এই পৃথিবী শুধু ভালবাসা নিয়ে চলার জন্যই, এর বাহিরে আর কোনো অর্থ নেই জীবনের।

 

ধীরে ধীরে এই ক্ষুদ্র ঘরটা ভরে উঠল ৩৫০০০ জনের মত পাঠক পাঠিকায়। এরা শুধু পাঠক পাঠিকা নয়, এরা একটা সংসার। যে সংসারে কেউ মশারি টানাবে, কেউ কাপড় ইস্ত্রি করবে, কেউ বা ঘর গোছাবে- কেউ লেখবে, কেউ পড়বে, কেউ হয়ত হাসি মুখে ভুল গুলো ধরিয়ে দেবে। এখানে কেউ অভিজ্ঞ নয়, কেউ কাঁচাও নয়। এখানে কেউ যখন কাঁপা হাতে লিখতে শুরু করে- অন্যরা বড়দের মত এসে সেই কাঁপা হাতটা ধরে কাঁপুনিয়ে থামিয়ে দিয়ে উদার ভাবে হেসে বলে, "হাত কাঁপার কি আছে! দারুণ হচ্ছে তো! লিখ যা!"

 

এখানে একটা সংসার পাতা হয়েছে। যে সংসারে- রাতে আকাশে চাঁদ উঠলে সবাই ছাদে উঠে এসে মাদুর বিছিয়ে আসর বসায় গানের, পাশাপাশি লম্বা হয়ে শুয়ে রাতের আকাশ দেখে এই মানুষগুলো। আর গভীর একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলে ওঠেঃ এটাই ভালবাসার সংসার! এটাই আমাদের নিয়ে ভালবাসার গল্প!

 

শুভ ওয়া ওয়া দিবস ভালবাসার গল্প।

 

ভালবাসার গল্প নিয়ে অভিজ্ঞতা বলতে ইচ্ছে করছে না আজ। লিখতে গেলে অনেক হয়ে যাবে। তবে এটা না বললে মহা পাপ হয়ে যাবেঃ এখানে একটা বিশাল সংসার পেয়েছি! বড় ভাই বোন যেমন আছে, ছোট ছোট মিনি লিইপুট ভাই বোনও আছে। কিছু কিছু ভাই বোন তো রীতিমত সংসারের বাজারের ব্যাগ নিয়ে গম্ভীর মুখে বাজার করে আসা মানুষের মত! আবার কিছু আপা আছে যারা কোমরে আচল পেঁচিয়ে ঘর দোর সাজাতে ব্যস্ত থাকেন দিন শুরু হলেই। ছোট গুলো এলো মেলো করার ওস্তাদ! চলছে খামচা খামচি, মারামারি আর কাতুকুতু দেয়ার খেলা। এটাকে সংসার না বললে তো অন্যায় হয়ে যায়! শুধু ভালবাসার গল্পকে আজ কেন জন্মদিনের শুভেচ্ছা? শুভেচ্ছা রইল সেই সকল হাসি খুশি মানুষ গুলোর জন্য- যারা এই সংসারটাকে অনেক মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ করে রেখেছেন। যেখানে সবার আলাদা পরিবারের বাহিরেও এই একটা পরিবার আছে যা আমাদের সমস্ত হতাশা আর দুঃখ বোধ গুলোকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেয়। আর এক জনের আনন্দ ভাগ করে নেয় সবাই!

 

- মোঃ ফরহাদ চৌধুরী শিহাব

 

--------------------------------------------------------------------------------------------

 

আমি একজন সনাতন ধরনের লেখক ছিলাম। সবসময় কাগজ কলমের সাথে আমার সংযোগ ছিল এবং কাগজ কলমের পর্ব শেষে বিভিন্ন পত্রিকায় পাঠানো ছিল আমার রোজকার কাজ। ব্লগ বা পেজে লেখালিখি জিনিসটা মাথায় খুব বেশি ঘুরপাক খেত না। তবে আমার সব চিন্তাধারা ওলটপালট করে দিল ‘ভালবাসার গল্প’। ‘ভালবাসার গল্পের' সাথে পরিচয় হয়েছিল গত বছর আগস্টে। এই পেজে আমার প্রথম গল্প ‘একটি অ্যাডভেঞ্চারের গল্প’। এই গল্পের ব্যাপক সাড়া আমাকে উজ্জীবিত করল।

এরপর ‘আমানুষের ভালবাসা’ (ঈদ সংখ্যা), ‘স্বপ্ননীড়’, ‘একদিন ভালবাসার কাছে’, 'দূরত্ব', 'স্বপ্নপুরুষ' , 'আবেগ’ (ভালবাসার গল্প বইতে প্রকাশিত), ‘আমার বিবাহ কথা’ সহ বেশ কিছু লেখা লিখেছি। এই পেজের অ্যাডমিন এবং পাঠকরা আমাকে সবসময় অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।আর ভালবাসার গল্প' তো শুধু একটি পেজ নয়, এটি ৩৪০০০ মানুষের শক্তি। এমন শক্তিশালী অ্যাডমিন প্যানেল আর কোন পেজের নেই,এটা আমি নির্দ্বিধায় বলতে পারি। এটা নতুনদের জন্য লেখালিখির একটা প্লাটফর্ম আর পুরনোদের জন্য বারবার নিজেকে প্রমাণের সুযোগ।

 

আজ ভালবাসার গল্পের জন্মদিন। আমার হৃদয়ের সবটুকু ভালবাসা আজ এই পেজটিকে উপহার দিলাম। তাদের পথচলায় আমিও সঙ্গী হিসাবে থাকতে চাই।

জয়তু ‘ভালবাসার গল্প’।

 

- রিয়াজুল আলম শাওন

Share