একটা সাধারণ গল্প

লিখেছেন - - ফারহানা নিম্মী | লেখাটি 975 বার দেখা হয়েছে

আমার একটা খুব সাধারণ গল্প বলি...

 

আমি তখন খুব ছোট । ক্লাশ টুতে কিংবা থ্রীতে পড়ি । বুজুর্গদের মতে,এই বয়স নাকি ধর্ম শিক্ষার জন্য উপযুক্ত একটা বয়স । কলোনীতে এই বয়সের অধিকাংশ বাচ্চা-কাচ্চাদেরকে তাই ধর্ম বিষয়ক যাবতীয় জ্ঞান আহরনের জন্য মক্তবে যেতে হত ।

 

আমিও গিয়েছিলাম । আমি বললে ভুল হবে,আমরা দুই বোন গিয়েছিলাম । ভর্তির দিন আব্বুর দুই হাত ধরে আমরা দুই বোন "আমপারা" শক্ত করে বুকে ধরে ভয়ে ভয়ে মক্তবে ঢুকেছিলাম । ভয় লাগছিলো,কারণ স্কুলের বান্ধবীরা বলতো,মক্তব নাকি ভয়ঙ্কর জায়গা । সেখানে পড়া না পারলে হুজুরেরা চাবুক দিয়ে মারেন । হুজুরের মার কোনমতে মিস্‌ হয়ে গেলেও আরবী ভুল করে পড়লে নাকি আল্লাহ পাপী বান্দাদের ঘাড়ে ধরে আগুনের দোযখে ফেলেন ।

 

মক্তবে ঢুকে তেমন মনে হয়নি অবশ্য । দেখলাম চার-পাঁচ জন হুজুরের চারপাশে আমাদের বয়সী আরো বাচ্চা-কাচ্চারা গোল হয়ে বসে সুর করে "আলিফ জবর আ,বে জবর বা,তে জবর তা,..." পড়েই যাচ্ছে । আমি মজা পেলাম । বাহ ! কি সুন্দর,সবাই ছন্দে ছন্দে পড়ছে !

 

বাবা আমাদের ভর্তি করে চলে গেলেন । আমি আর আমার ছোট বোন গুটিসুটি মেরে জয়নাল হুজুরের এক পাশে বসে পড়লাম । চুল-দাঁড়িতে পাক ধরা বয়স্ক একজন মানুষ । অথচ,কি মিষ্টি করে হুজুর তেলাওয়াত করতেন । অর্থ বুঝতাম না,তবুও মুগ্ধ হয়ে শুনতাম । তার তত্বাবধায়নে আস্তে আস্তে অনেকগুলো সুরা ও আমরা শিখে ফেললাম । হুজুর আমাদের নামাজ শিখালেন । আমার অবশ্য শিখতে দেরী হয়েছিলো । খুব চঞ্চল ছিলাম । মনোযোগ রাখতে পারতাম না একদমই । নামাজে রুকু আর সেজদার বিষয়টা আমি গুলিয়ে ফেলতাম । নামাজ পড়ার সময় আড়চোখে দুইপাশে দেখে নিতাম । সবাই যখন রুকু বা সেজদা তে যেতো,আমিও তাদের নকল মেরে রুকু,সেজদা দিয়ে ফেলতাম । হুজুর অবশ্য হাল ছাড়েননি । তিনি শিখিয়ে ছেড়েছেন ।

 

নামাজ আর কুরআন শিক্ষার পাশাপাশি,হুজুর আমাদেরকে জান্নাত-জাহান্নাম সম্পর্কে বলতেন । তার একটা কথা আমার বেশ মনে আছে । তিনি বলতেন,"আল্লাহ তায়ালা আটটা বেহেশ্‌ত আর সাতটা দোযখ সৃষ্টি করেছেন । বেহেশ্‌তের সংখ্যা একটা বেশি,কারণ আল্লাহ নাকি তার বান্দাদেরকে শাস্তি না দেয়ার উসিলা খোঁজেন সবসময় ।"

আমরা বলেছিলাম,"তাহলে হুজুর,কি করলে বেহেশ্‌তে জায়গা পাওয়া যায় ?"

তিনি বললেন," আপনারা নামাজ পড়বেন,কুরআন তেলাওয়াত করবেন আর বেশি বশি ভালো কাজ করবেন ।"

আমরা বললাম,"ভালো কাজ কি হুজুর ?"

উত্তরে তিনি বিরাট একটা লিষ্ট দিয়ে দিলেন । বললেন,"বড়দের সম্মান করবেন,ছোটদের স্নেহ করবেন,কারো মনে কষ্ট দিবেন না,গরীবের সেবা করবেন ইত্যাদি ইত্যাদি..."

আমি চিন্তা করলাম,"বড় মানে আব্বু-আম্মু আর স্কুলের টিচার ;তাদেরকে তো সম্মান করি ই । ছোট মানে আমার ছোট বোন,একটু ফাজিল আছে স্বভাবে,তবুও আদর তো করিই । কারো মনে কষ্টও দেই না ।তাহলে বেহেশ্‌ত পাওয়ার আরেকটা রাস্তা বাকি থাকলো,সেটা হলো গরীবের সেবা ।"

 

খুব চিন্তা ভাবনা করে আমি একলাই কলোনীতে গরীব সন্ধান অভিযানে বের হলাম । আমার ছোট বোনকে নিতে চেয়েছিলাম,কিন্তু বেয়াদবটা আব্বু-আম্মুকে বলে দিবে বলে যা একটা থ্রেট দিলো,এরপর জোর করতে আর সাহসে কুলোয় নি । খালি বলেছিলাম,"দেখিস্‌ আমি একলা একলাই বেহেশ্‌তে যাব । তোকে যখন আল্লাহ বেহেশ্‌তের দর্‌জা দিয়ে ঢুকতে দিবে না,তখন আমাকে সুপারিশের জন্য বললেও কাজ হবে না ।"

 

সে যা হোক,গরীব খুঁজে বের করতে তেমন কষ্ট হয় নি । আমাদের বাসার কাছেই একটা একটা বিল্ডিং এর নিচে দেখলাম,খালি একটু জায়গার মধ্যে একটা ভিক্ষুক মহিলা বসে আছে । উপকার করার জন্য তাকেই টার্গেট করে ফেললাম । তাকে অবশ্য মহিলা না বলে মেয়ে বলাই ভালো । নিতান্ত বাচ্চা একটা মেয়ে । কাছে যেতেই দেখি,আনাড়ী ভাবে পরে থাকা শতছিন্ন শাড়ির ভিতরে তিনি একদম এক হাতের তালুর সমান একটা বাচ্চাকে পেঁচিয়ে রেখেছেন ।

 

আমি সিঁড়িতে বসে তার সাথে বিরাট গল্প জুড়ে দিলাম । বাচ্চাটা সারা সময় পাশে ট্যাঁ ট্যাঁ করে কাঁদছিলো । কথায় কথায় জানলাম বাচ্চাটার বয়স নাকি মাত্র এক সপ্তাহ । আমি জিজ্ঞেস করলাম,"বাচ্চাটার খালি গায়ে কেনো ?" আমি আমার লাল রঙের স্যুয়েটার দেখিয়ে বললাম, " আমাকে আব্বু এটা কিনে দিয়েছে । খুব আরাম । বাবুর আব্বু বাবুকে এরকম একটা স্যুয়েটার কিনে দিতে পারে না ? "

তিনি জবাবে  বললেন,"আমার মাইয়া হইসে তো । বাবুর বাপে পোলা চাইসিলো । মাইয়া হওনে চেইতা মেইতা আমারে তালাক দিয়া জমিলারে বিয়া করসে । মায়েও আমারে রাখলো না । নিজেই খাওন পায় না,আমারে থুইবো কই ? খাওয়াইবো কি ?"

আমি বলেছিলাম,"আপনি একদম চিন্তা করবেন না । আমি বাসায় যা পাই আপনার জন্য তাই ই নিয়ে আসব । আপনি প্রতিদিন বিকেলে এখানে আসবেন,কেমন ?"

 

পরদিন বিকেলে খেলতে গিয়ে তাকে আমি পাইনি । ভেবেছেন মনে হয়,"বাচ্চা মানুষ তো কত কিছুই বলে ।"

তবুও কি ভেবে আমি প্রতিদিন বিকেলে তাদেরকে খুঁজতে যেতাম । কয়েকদিন পরে তাকে আবার খুঁজে পেয়েছিলাম । একই জায়গায় । দৌড়ে তার কাছে গিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে বললাম,"আপনাকে কত খুঁজলাম । আসেননি কেনো ?"

মহিলা বল্লেন,"মাইনশের বাসায় কাম-কাজ করি । কাম না করলে খাওন পামু কই ?"

আমি বললাম,"আপনার মেয়ের জন্য আমি কাপড় খুঁজে রাখসি । আপনি কালকে এখানে আসলে আমি নিয়ে আসব ।"

মহিলা বললেন,"আমি আপনেগো বাসায় আসিসা নিমু ।"

 

আমি ঘাবড়ে গেলাম । আমার ছোটবেলার কাপড় আম্মু খুব যত্ন করে আলমারিতে রেখে দিয়েছিলো । সেখান থেকে একটা-দুটো করে রোজ আমি কাপড় সরিয়ে রাখতাম । আম্মু যাতে বুঝতে না পারে । এখন এই ভিক্ষুক বাসায় গেলে ধরা খেয়ে আম্মুর যা একটা মার খেতে হবে । তাই তাড়াতাড়ি বললাম,"না, না, আপনি এখানেই থাকবেন । আমি নিয়ে আসব ।"

 

পরদিন বিকেলে আম্মু রান্নাঘরে যাওয়ার সাথে সাথেই কাপড় চোপড় নিয়ে আমি ভোঁ-দৌড় । আমার লাল টুকটুকে একটা ফ্রক আমি বাচ্চাটাকে দিয়েছিলাম । বাচ্চাটাকে আমার সামনেই তিনি কাপড়টা পরালেন । কি যে ফুটফুটে লাগছিলো বাচ্চাটাকে ! এরপর প্রায়ই ফলমূল,এটা সেটা চুরি করে আমি এই মা-বাচ্চা কে এনে দিতে লাগলাম । চুরি করা যে ঠিক না,জানতাম । তবুও বাচ্চাটার মাড়ি সর্বস্ব হাসি দেখার লোভ কেনো জানি সামলাতে পারতাম না ।

 

 তিনি প্রায়ই আমার কাছে গরম কাপড় চাইতেন । ছোট ছিলাম,বাসা থেকে দেয়ার মতো গরম কাপড় তাই যোগাড় করে দিতে পারিনি । আম্মুকে বললে,যদি কাপড় চুরির ব্যাপারটা ধরা খেয়ে যায়,তাই বাসায় কিছু বলা সম্ভব ছিলো না ।তবে স্কুলের বান্ধবীদের কাছে খুঁজতাম ।

 

আমার স্কুলের বান্ধবীরা এ নিয়ে খুব হাসাহাসি করতো । তাকে দেখলেই বলতো,"ঐ দেখ,তোর বান্ধবী যায় ।"

 

আমি তো আমি ই । বান্ধবীদের এতো হাসাহাসির পরও ভিক্ষুকটার সাথে কথা বলতে যেতাম । আল্লাহ মনে হয়,মেয়েদেরকে সৃষ্টি করার সাথে সাথে ভেতরে ছোট শিশুদের জন্য একগাদা মমতা ঢেলে দিয়েছেন । বাচ্চাটার আশেপাশে যতক্ষন থাকতাম,অদ্ভুত হলেও সত্যি নিজেকে কেমন যেনো বাচ্চাটার অভিভাবক মনে হত । একবার বাচ্চাটাকে কোলে নিয়ে বসে আছি,বাচ্চাটাকোলে হিসু করে দিলো । আমি পড়ে গেলাম বিপদে । এখন বাসায় গিয়ে কি বলবো ? এতো বড় হয়ে আমি হিসু করে দিয়েছি বলতে খুব লজ্জা লাগছিলো । তবুও বাসায় গিয়ে আম্মুকে মিথ্যা করে বলেছিলাম,"আম্মু আমি কাপড়ে হিসু করে দিয়েছি । হাঁচি দিতে গিয়ে হিসু হয়ে গেছে ।"

আম্মু অবাক হয়ে বলেন,"হিসু করলে তোর ফ্রকের উপরে কিভাবে ভিজলো ?"

 

এরপরের কয়েকদিন বাসায় এই নিয়ে নানাবিধ যন্ত্রনার স্বীকার হয়েছি । সেটা আর না ই বললাম ।

 

ধীরে ধীরে মহিলা প্রতিদিন নিয়ম করে আসা যাওয়া বন্ধ করে দিলেন । মানুষের বাসা-বাড়িতে কাজ করতেন । তাই সময় পেতেন না তেমন । আমিও আস্তে আস্তে ভুলে যেতে লাগলাম । ছোট বাচ্চার ঝোঁক । একসময় কেটে যায় ই । আমিও ব্যাতিক্রম ছিলাম না ।

 

এর প্রায় মাস খানিক পর কোন এক দুপুর বেলা খাওয়া শেষে টেবিল গুছানোর সময় আম্মু বলছিলেন,"আজ সকালে শহীদ সাহেবের বাসায় কাজ করতো মহিলাটার বাচ্চা টা মরে গেছে । শীতে পেয়েছে মনে হয় । আহারে !! মহিলা কি কান্নাটাই না কাঁদলো ।"

 

লেইসার আওয়ারের পর দুপুরে স্কুলে যাওয়ার আগে খবরটা কানে আসে আমার । স্কুলের বাথরুমে কি কান্নাটাই না কেঁদেছিলাম সেবার !

 

ঠিক করলাম,আর কখনো কারো উপকারই করবো না । কারো বেশি উপকার করলে তার জন্য মায়া লেগে যায়,পরে খারাপ কিছু ঘটলে খুব খারাপ লাগে ।

 

এর ও অনেকদিন পরের কথা,তখন আমি মহসিন কলেজের ছাত্রী । বন্ধু-বান্ধবের পাগলামির সঙ্গী হতে গিয়ে চিটাগাং রেল স্টেশনে থাকা গরীব মানুষগুলোর জন্য শীতবস্ত্র যোগাড় করে কোন এক শীতের সকালে এমনই কোন এক মায়ের কাছে গরম কাপড় পৌঁছে দেই । তাদের হাসিমুখ মনে কি যে পবিত্র অনুভূতির জন্ম দেয়,সেটি প্রকাশের কোন ভাষা সম্ভবত নেই !

 

আমার খুব সাধারন এই লেখাটার একটা উদ্দ্যেশ্য ছিলো । সেটি এতক্ষনে নিশ্চয়ই সবার কাছে পরিষ্কার ।

 

শীতের প্রকোপ বেড়েই চলছে । উঁচু উঁচু বিল্ডিং এ থাকা মানুষগুলো পর্যন্ত নাজেহাল হয়ে পড়ছে । সেখানে রাস্তার দুধারে ঘর পেতে বাস করা মানুষগুলোর কষ্ট নিয়ে চিন্তা করা হয়তো খুবই হাস্যকর । কিন্তু,জীবন যে কত দূর্বিসহ সেটা তারা প্রতিনিয়তই হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে । সৃষ্টিকর্তা ধনী-দরিদ্রের প্রভেদ সৃষ্টি করেছেন,যাতে মানুষে মানুষে সহমর্মিতা বাড়ে । একজন মানুষ যদি আরেকজন মানুষের উপর নির্ভরশীলই না হবে,তাহলে "সমাজ" শব্দটার পিছে বড় বড় বুলি আওড়ে কি লাভ ?

 

আমরা তাদের মুখে হাসি ফোটাতে না পারি,হাড়কাঁপানো শীতে জর্জরিত মানুষগুলোর কান্নাটা তো অন্তত থামাতেই পারি ।

 

মানুষের প্রতি ভালোবাসার বহিপ্রকাশ হিসেবে করা ভালোবাসায়' ৭১ প্রোগ্রামটি কতক পথশিশুর মুখে হাসি ফোটাতে পেরেছে কিনা জানিনা...তবে এটুকু বলতে পারি আমাদের চেষ্টায় কোন ত্রুটি ছিলো না...সম্পূর্ণ কাজটি সুন্দর ভাবে সম্পন্ন করার জন্য পেইজের অনেক লাইকারকে যেমন সাথে পেয়েছি...তেমনি সাথে পেয়েছি স্বপ্নবাজ নামে একটি সংগঠনকেও...তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি...আরেকজন মানুষকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি,যিনি দেশে না থেকেও দেশের প্রতি ভালোবাসা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে প্রোগ্রামটির সফলতার জন্য চিন্তিত হয়েছেন এবং ভার্চুয়ালি সবরকম সহযোগিতা করে গেছেন...তাকে ধন্যবাদ...

 

আবার সেই সহযোগি বন্ধুদের ভালোবাসা বিশেষভাবে দরকার...

 

শীতের তীব্রতার সাথে বাড়ছে শীতের বিরুদ্ধে বেঁচে থাকার যুদ্ধ...যে পথ দিয়ে আমরা প্রতিনিয়ত চলাচল করি সেই পথে বসবাসরত মানুষগুলোর ঠিকমত পরিধেয় বস্ত্রটাও হয়তো নেই...যান্ত্রিক নগরীর ব্যস্ততার মাঝে এই ব্যাপারগুলো ঠিকমতো খেয়াল করা হয়ে উঠে না আমাদের...অথচ, তাদের জন্য ২৪,০০০ সংখ্যাটি অনেক বড়...ভালো কিছু করার জন্য এতো মানুষের ক্ষুদ্র একটা অংশের আন্তরিক সহযোগিতাই যথেষ্ট...

 

অনেক সময় আমরা ঢাকার বাইরের লাইকারদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে এসেছি,পেইজের অধিকাংশ কর্মকান্ড ঢাকায় হওয়ার ব্যাপারটি নিয়ে...তাই পরিসরটি একটি গন্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে,ঢাকার বাইরে প্রথমবারের মতো আমরা শীতবস্ত্র বিতরনের উদ্যোগ হাতে নিয়েছি...চট্টগ্রামের পাঠক এবং বন্ধুরা,হাতে সময় খুব কম...শীতের প্রকোপ বেড়েই চলেছে...খুব অল্প সময়ের ভিতরে শীতবস্ত্র বিতরন কিংবা যেকোন প্রকার সহযোগিতা দরিদ্র মানুষের কাছে পৌঁছানো প্রয়োজন...

 

২৪ শে ডিসেম্বরের আগে যেকোন সময় আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন...

 

ঢাকার বন্ধুরা,সাহায্য পাঠানোর জন্য যোগাযোগ করুনঃ

 

মিরপুর ১০, ১১, ১২, ১; শেওড়াপাড়া, কাজিপাড়া, তালতলা, বিজয়স্বরনী এবং তার আশপাশের এলাকায় বসবাসকারীদের জন্য...

 

মাহফুজঃ ০১৬৭৪৭১৬৯২০

 

রনিঃ ০১৬৭৫৫৫৭১৮৬

 

জামানঃ ০১৬৮১৮৯২২০৪

 

মোহাম্মদপুর, আসাদগেইট, শ্যামলী, ধানমন্ডি ২৭, কলাবাগান, শুক্রাবাদ এবং তার আশপাশের এলাকায় বসবাসকারীদের জন্য...

 

সোহানঃ ০১৭২৩৭১৮০৩৯

 

ঝিগাতলা, শংকর, শাহবাগ, কাঁটাবন, নিউ মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড এবং তার আশপাশের এলাকায় বসবাসকারীদের জন্য...

 

রাসেলঃ ০১৯১৪০২৯৪১৪

 

মতিঝিল, গুলিস্থান, প্রেসক্লাব, ওয়ারী, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, দনিয়া, সায়েদাবাদ এবং তার আশপাশের এলাকায় বসবাসকারীদের জন্য...

 

জুবায়েরঃ ০১৭৪৯১০৮৩৫১

 

তনয়ঃ ০১৬৮০৮৭১০২৬

 

আর চট্টগ্রামের বন্ধুরা যোগাযোগ করুন,পেইজের নির্মাতা অ্যাডমিন সৌরভের সাথে...তার মুঠোফোন নাম্বার ০১৬৭৭০৯৩৭৩৫ ।

 

চট্টগ্রামের বন্ধুদের বলছি,এই পেইজের লাইকারদের একটা বড় অংশই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত । কেউ যদি তার প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে এগিয়ে আসে তাহলে খুব দ্রুতই একটা কিছু করা সম্ভব । এই আহবানে সাড়া পেলে খুব তাড়াতাড়িই সবার সাথে দেখা হবে,নতুন এই যুদ্ধের সহযোদ্ধা হিসেবে । খুব সাধারন গল্পের একটা অসাধারন শেষের জন্য আপনাদের অপেক্ষায় থাকলাম ।

 

 

 

Share